কী কী করে
- দুটো মোড: লাইটে লেখা ঠিক থাকে, স্ট্রংয়ে সবচেয়ে বেশি সাইজ কমে
- স্ট্রং মোডে তিনটি মান
- ফাইল ঠিক কতটা ছোট হলো তা দেখায়
- নতুন ফাইল সত্যিই ছোট হলে তবেই দেয়
- কিছুই আপলোড হয় না
কীভাবে ব্যবহার করবেন
- পিডিএফ বক্সে ফেলে দিন, অথবা বক্সে ক্লিক করে ফাইল বেছে নিন।
- লাইট না স্ট্রং, বেছে নিন। স্ট্রং হলে মানের স্তরও বেছে নিন।
- পিডিএফ কমপ্রেস চাপুন আর অপেক্ষা করুন। বড় ফাইলে এক মিনিটের মতো লাগতে পারে।
- ছোট হওয়া ফাইল ডাউনলোড করুন। সাইজ না কমলে স্ট্রং মোড বা কম মান চেষ্টা করুন।
পিডিএফ কমপ্রেস কীভাবে কাজ করে, আর এর সীমা কী?
পিডিএফের বেশির ভাগ ওজন আসে ছবি থেকে। লাইট মোড ফাইলের কাঠামো গুছিয়ে বাড়তি তথ্য ফেলে দেয়। এতে সাইজ সাধারণত অল্পই কমে, কিন্তু সবকিছু আগের মতো থাকে, এমনকি যে লেখা সিলেক্ট করা যায় সেটাও। স্ট্রং মোড প্রতিটি পাতাকে কম মানের ছবি হিসেবে নতুন করে আঁকে। এতে স্ক্যান করা ডকুমেন্ট অনেক ছোট হয়, কিন্তু লেখাও ছবির অংশ হয়ে যায়, তাই আর সিলেক্ট বা সার্চ করা যায় না।
এই কারণেই টুলটা ফলের ব্যাপারে সৎ থাকে। আগে থেকেই ভালোভাবে কমপ্রেস করা পিডিএফ, বা প্রায় শুধু লেখার পিডিএফ, একেবারেই ছোট নাও হতে পারে। তখন ডাউনলোডের বদলে একটা বার্তা দেখবেন। লেখাভরা পিডিএফে স্ট্রং মোড কখনো কখনো সাইজ বাড়িয়েও দেয়। টুল আপনাকে কখনো বড় ফাইল ধরিয়ে দেবে না।
কোন মোড বেছে নেবেন?
লাইট: চুক্তিপত্র, রিপোর্ট আর যেকোনো পিডিএফ, যেখানে সিলেক্ট করার মতো লেখা রাখা দরকার।
স্ট্রং: স্ক্যান করা ডকুমেন্ট, প্রচুর ছবির ফাইল, আর আপলোডের সীমায় আটকে যাওয়া ফাইল, যেমন 2 MB-এর নিচে রাখতে হবে এমন।
যা নিয়ে মানুষ প্রশ্ন করেন
আমার পিডিএফ ছোট হলো না কেন?
মান কি কমে যাবে?
কমপ্রেস করা ফাইল থেকে কি লেখা কপি করা যাবে?
আমার পিডিএফ কি আপলোড হয়?
পাসওয়ার্ড দেওয়া পিডিএফে কি কাজ করে?
দাবিত্যাগ
ফাইল আপনার ব্রাউজারেই প্রসেস হয়, আমাদের কাছে আপলোড হয় না। ফলাফল যেমন আছে তেমনই দেওয়া হয়, মান বা কোনো বিশেষ কাজে উপযুক্ত হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। আপনার আসল ফাইলের একটা কপি রেখে দিন। এই টুল আপনি নিজের ঝুঁকিতে ব্যবহার করছেন, আর এর ফলে কোনো ক্ষতি হলে TheFreeTool দায়ী নয়। পূর্ণ দাবিত্যাগ পড়ুন